গুণমণি

অনলাইন পড়ার জন্য অথবা ডাউনলোড করার জন্য ক্লিক করুন ….

জ্যৈষ্ঠের প্রথম দুপুর। ফেরিওয়ালার হাঁক-পাঁক এবং আইস্ক্রিমওয়ালার ঘণ্টার শব্দে ঝিঙের ফুল পর্যন্ত আইঢাই করছিল। গ্রৈষ্মিক গরমে তাপক্লান্ত যুবক অনিচ্ছাসত্ত্বেও হাঁটছিল। ঘামে জবজব শার্ট বলিষ্ঠ দেহে অষ্টে-পৃষ্ঠে এঁটেছিল। হঠাৎ থমকে ডান উরুর রগে মালিশ করে বাতাসে ঘ্রাণ শুঁকে ডানে বাঁয়ে তাকায়। বাসার প্রবেশদ্বারে বিভাসালয় লেখা। কপালের ঘাম মুছে হাতে সূর্য আড়াল করে কাঁঠাল গাছের দিকে তাকায়। ঠাঠাপড়া রোদের তাপে মাঠি থেকে ভাপ ওঠছিল। আকাশছায়ে বসে গল্পগুজব করার অবসর কারো নেই। মুখের দিকে তাকিয়ে মতিগতি আন্দাজ করা দুষ্কর। মনের কথা কেউ খুলে বলতে চায় না। যুবক চারপাশে তাকিয়ে কিছু ঠাহর করার চেষ্টা করে। তার হাবভাবে উদ্গ্রীবতা এবং দিগ্ভ্রান্তির দুশ্চিন্তা চোখে মুখে স্পষ্ট। কেউ তার দিকে তাকায় না। নিজ বিষয়-আশয় নিয়ে সবাই ব্যস্ত। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে নিম্নকণ্ঠে যুবক বললো, “গরমের কালে আহাল শুরু হয়েছে। বিষাদিত বাতাসে মন বিষাক্ত হচ্ছে। আমি অবাকদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি। অনেকে বলে আমার বুদ্ধিতে ঘুণ ধরেছে। হয়তো সত্য, তাই আমি খোনা গলায় গান গাই আর সত্যাসত্য জানার জন্য সত্যান্বেষী হয়ে জেনেছি, অত্যন্ত দুর্দান্তের দুর্দশা দেখে বিদ্বান ব্যক্তি চিন্তিত হয়েছে এবং বরফট্টাই ঠাটবাটে তল্লাটের বড়লাট হওয়ার হিড়িক পড়েছে।”
এমন সময় বাসার সামনে গাড়ি থামে এবং তার দিকে তাকিয়ে চালক বললেন, “গেট খুলে দিলে তোমার জন্য দোয়া করব।”
গেট খুলে দিলে কিছু না বলে উনি দ্রুত চালিয়ে ভিতরে যান। গেট লাগিয়ে হাঁটতে শুরু করে যুবক বললো, “উনি বলেছিলেন গেট খুলে দিলে আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি গেট খুলে দিয়েছিলাম এবং উনি ভিতরে চলে গিয়েছিলেন।”
উনি দৌড়ে গেটের পাশে যেয়ে ডানে বাঁয়ে তাকিয়ে তাকে ডেকে বললেন, “যুবক, ফিরে আসো।”
“এখন আবার কী কাজ করাতে চান?” বলে যুবক ঘুরে কপাল কুঁচকে বললো, “আমাকে ডেকেছেন নাকি?”

তারপর পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করে e-book download করুন…

| প্রেমোপন্যাস | আ্যধাত্মিক উপন্যাস | ফিকশন | কিংবদন্তী | সামাজিক উপন্যাস |

গুণমণি
প্রচ্ছদ

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র