আল্লাহর সাথে দূরত্ব

“ওয়াস্তে জপে ভেস্তে যাচ্ছে, বেহেস্তে যাওয়া হচ্ছে না”

আল্লাহর সাথে দূরত্ব বাড়লে আত্মশাসন এবং আত্মসংযম ভুলে মানুষ পরমুখাপেক্ষী হয়। মৃত্যুর ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ভ্রান্ত সিদ্ধান্তে বিভ্রান্ত হয়। সমাজব্যবস্থায় পচন ধরলে আজুরার সাথে ঘুষ প্রচলিত হয়। অন্যায় এবং অত্যাচার তুঙ্গে ওঠে। অসহায়রা অত্যাচারিত হয়। অত্যাচারিরা প্রতিপত্তিশালী হয়। লাভে লোভে আমরা পরমুখাপেক্ষী হয়েছি এবং আমাদের সমাজব্যবস্থায় পচন ধরেছে। সত্বর আমাদেরকে বাস্তবিক হতে হবে। আত্মশুদ্ধির জন্য সাধ্যসাধনা করতে হবে। আত্মশাসক এবং আত্মসংযমী হতে হবে। পশ্চাত্তাপে পাপমোচন করতে হবে। আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে। আমাদেরকে শুধুমাত্র আল্লাহর মুখাপেক্ষী হতে হবে। মনে রাখতে হবে, কৃতকর্মে মুসলমানের কৃতিত্ব এবং কর্তব্যকর্মে মুসলমানরা কর্মী। আমরা এত বিভ্রান্ত হয়েছি যে, শব্দে সত্যের প্রতিধ্বনি শুনেও পরিবেশে পরাবাস্তব দৃশ্য দেখতে চাই এবং পলকে ভুলে যাই, শেষ নিশ্বাস বাতাসে মিশবে এবং অবশেষে আয়ুঃশেষ হবে।

সমাজসংস্কারের জন্য আমাদেরকে কর্তব্যপরায়ণ হতে হবে, স্বাচ্ছন্দ্য এবং সমৃদ্ধির জন্য সত্যনিষ্ঠ হতে হবে। আসো সফলতার জন্য সবাই দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হই।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

Motherhood

Motherhood

Women give birth to human beings. Therefore, women are the mothers of humanity. Insulting women means insulting humanity. The barbarians do not know how to respect women. Motherhood must be evaluated as evidence of civilisation.

নারী

নারীরা মানব জন্ম দেয়। অতএব, নারীরা মানবতার মা। নারীকে অবমাননা করা মানে মানবতাকে অপমান করা। অসভ্যরা নারীকে সম্মান করতে জানে না। সভ্যতার প্রমাণ স্বরূপ মাতৃত্বের মূল্যায়ন করতে হবে।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

হাজিবাবা | আ্যধাত্মিক উপন্যাস

একমাত্র সন্তানরা নাকি শান্তশিষ্ট, বিধায় বিশিষ্ট হওয়ার জন্য হৃদয় ইংলিস মাধ্যমে লেখাপড়া করছে। বন্ধুরা তাকে অনেক নামে ডাকে। কেউ ডাকে রিক, কেউ ডাকে রিকি, কেউ ডাকে রক আবার কেউ ডাকে রকি। সহপাঠীরা তাকে সহ্য করতে পারে না এবং সে ও খামোখা ভাঁড়ামি করে। যাইহোক, গ্রীষ্মের ছুটি শেষে ইউনির সামনে ফষ্টি-নষ্টি করছিল। হঠাৎ ফ্যাশনসম্মত রূপলাবণ্যবতী ছাত্রীর মুখোমুখি হলে নিজেকে সামলিয়ে হৃদয় বললো, “I am very sorry, please forgive me.”
উত্ত্যক্ত ছাত্রী অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে পাশ কেটে চলে যেতে চাইলে ডান হাত প্রসারিত করে হৃদয় বললো, “Tell me your pet name and I will let you know mine.”
“ইস!” বলে ছাত্রী বিরক্তি প্রকাশ করে থমকে দাঁড়ায় এবং কপাল কুঁচকে তাকিয়ে স্বগতোক্তি করে, “এলোপাথাড়ি দৌড়ে এঁড়ে লোকের খপ্পড়ে পড়লাম কেমনে? জাতে উঠার জন্য এককালীন লোকটা জাতিচ্যুত এবং সমাজচ্যুত হয়েছে। একগাল খাবারের জন্য নাজানি কী করবে? দূরত্ব বজায় রাখলে জাতিগত প্রভেদ এবং জন্মগত স্বভাব বজায় থাকবে নইলে অজাতকুজাতে বজ্জাত জন্মাবে।”
“You are noble and beautiful but I am wilful, not awful.” বলে হৃদয় অপলকদৃষ্টে তাকালে, গম্ভীরকণ্ঠে ছাত্রী বলল, “নিষ্ণাতে নিষ্পত্তি হলে, নিষ্পেষণ নিষ্প্রয়োজন। নিষ্কারণে নিষ্প্রাণ ভাবপ্রকাশ নিষ্ফল হয়েছে। আমি নিষ্পাপ নই, নিষ্পুণ্য শব্দে আবেগ নিষ্প্রবাহ হয়। তোমার হাবভাব নিষ্পাদক এবং সূর্য এখনো নিষ্প্রভ হয়নি। স্বেচ্ছাচারীকে দিগ্দর্শন করে যথেচ্ছাচারিণী হতে চাই না। লেখাপড়া বিরক্তিকর হলে খোঁড়াখুঁড়ির জন্য মনগড়া খোঁয়াড়ে যাও।”
“I am very sorry, are you talking to me?” সভয়ে বলে হৃদয় চোখ কপালে তুললে, তার চোখের দিকে তাকিয়ে ছাত্রী বললো, “নিষ্ঠুর তুমি নিষ্ঠাবান হওয়ার চেষ্টা করলে অন্তরাত্মা সন্তুষ্ট হবে। লোকাচারের অর্থ জানলে সমাজের রীতিনীতি অনুযায়ী সামাজিক প্রথা পালন করতে পারবে এবং সকলের মঙ্গল হবে।”
“I am thunderstruck. Someone please call the doctor!” বলে হৃদয় দুহাতে মাথা চেপে ধরে ডানে বাঁয়ে তাকায়।
ছাত্রী মাথা নেড়ে বললো, “প্রবাহিত সময়ের সাথে পাথরের ছায়া নড়ে, চাইলেও আমি অনড় হতে পারব না। নড়েচড়ে সরে দাঁড়ালে তড়বড় করে হেঁটে যাব। নভোনীল শাড়ি পরে নারীরা দৌড়াতে পারে না।”
আরেক ছাত্রী ডেকে বললো, “এই নদী, কী হয়েছে?”
“সুষ্ঠু মাথা নষ্ট করার জন্য ফ্রায়েড রাইস খেয়ে এই লোকটা আমার সাথে ঝগড়াঝাঁটি শুরু করেছে।” বলে নদী মাথা নেড়ে দ্রুত চলে যায়। অন্য ছাত্রীর দিকে তাকিয়ে অবাককণ্ঠে হৃদয় বললো, “Who is she and where is she from?”
“ওরে অবাঙাল, বাংলা শিখে বাঙাল হওয়ার চেষ্টা করলে অন্তত তোর মঙ্গল হবে।”
“নদীর একটা কথাও আমি বোঝিনি। আমার দাদা প্রদাদাকে বকাবকি করেছিল নাকি?”
“শাড়ির আঁচল ধরে জিজ্ঞেস কর যেয়ে।” বলে ছাত্রী দ্রুত চলে গেলে হৃদয় ক্লাসে যায় এবং ছুটির পর সিঁড়িতে বসে গুনগুন করছিল। তাকে বিরক্ত না করে ছাত্রাছাত্রীরা দূরত্ব বজায় রেখে দ্রুত সটকাচ্ছিল। নদী বেরোতে চেয়ে তাকে দেখে চমকে এক পা পিছিয়ে বিড়বিড় করে কিছু পড়ে বেরিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নামার সময় আড়চোখে তাকিয়ে মুখ বিকৃত করে নিম্নকণ্ঠে বললো, “সংস্পর্শ তো দূরের কথা তোমার সংস্রবে আমার সর্বনাশ হবে। সত্বর সংস্ক্রিয়া করলে শান্তি এবং স্বস্তি সংস্থিত হবে। সংস্কৃতি সংস্কারে সংস্কর্তা হলে হয়তো পাশে বসে প্রেমালাপ করব।”
“নদী, দাঁড়াও।” বলে হৃদয় দৌড়ে পাশে গেলে নদী চমকে বুকে থুতু দিয়ে বললো, “হঠাৎ ঠাঠা পড়ে আটানব্বই সের আটার ভুষ্টিনাশ করেছে।”

তারপর পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করে e-book download করুন…

প্রেমোপন্যাস | আ্যধাত্মিক উপন্যাস | ফিকশন | কিংবদন্তী | সামাজিক উপন্যাস |

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

helpless

helpless

Harming others for the sake of self-interest is against humanity, and those who oppress the helpless are ruthless and selfish. The helpless cannot help themselves, and how helpless we are at the time of death can be understood by looking into the eyes of a dead person.

অসহায়

স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যের ক্ষতি করা মানবতার পরিপন্থী এবং অসহায়ের উপর যারা অত্যাচার করে ওরা নির্দয় এবং স্বার্থান্ধ। অসহায়রা নিজেকে সাহায্য করতে পারে না এবং মৃত্যুর সময় আমরা কত অসহায় হই তা মৃত ব্যক্তির চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝা যায়।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

অভিশাপ

তিন শ্রেণী এককাট্টা হলে গজব আসে, এবং দেশে এখন তাই হচ্ছে। আলিম জালিম এবং মজলুমরা এক মাঠে এককাট্টা হয়ে আল্লাহর অভিশাপ উপভোগ করছে।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র