খাঁটি তাওবা

তাওবাতান_নাসুহা

“ইয়া আইয়্যুহাল লাজিনা আমানু তু-বু ইলাল্লাহি তাওবাতান নাসুহা” (৬৬.৮)
এখুনি উত্তম সময় খাঁটি তাওবা করার। আল্লাহর অনুগ্রহ চাওয়ার। পশ্চাত্তাপে আক্ষিপ্ত হওয়ার। সুখসমৃদ্ধি এবং সুস্থতা কামনা করার। তাওবা হলো কায়িক এবং আত্মিক রোগের একমাত্র মহৌষধ। গনহারে পাপ করেছি, গনহারে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। এতদিন বাতাস দূষিত ছিল এখন অশ্লীল ভিডিও, অশ্লীল গল্প এবং অশ্লীল ছবির মহাসাগর হয়েছে। জনপ্রিয় হওয়ার জন্য জনগণ যাচ্ছেতাই করে। চিত্তচাঞ্চল্যকর দৃশ্য অথবা কামোদ্দীপক কার্যকলাপের জন্য এখন আর নিষিদ্ধ পল্লিতে যেতে হয় না। মোবাইলের স্ক্রিন যথেষ্ট। শালিনতা ভুলে অশ্লীলতায় সমাসক্ত হওয়ার দরুন, ধর্ষণ, পরকীয়া, সমকামিতা এখন তুঙ্গে এবং জম্পেশ উপভোগ্য হয়েছে। শিশু কিশোররা বিকারগ্রস্তদের বিকৃত যৌন লালসার শিকার হচ্ছে। ধর্ষণের খবর এখন উপভোগ্য হয়েছে। এসব ভাবলে ভয়ে অন্তরাত্মা শিউরে ওঠে। সমাজব্যবস্থায় পচন ধরে জাতিসত্তা বিধস্ত হচ্ছে। ছিনালি এবং নাগরালির গৌরবে বহুজন গৌরবান্বিত। ধর্মের ধ্বজাধারীরাও এখন ধ্বজভঙ্গ রোগে আক্রান্ত। যাক, আমাকে আক্রমণ না করে বাস্তবিক হলে সকলের মঙ্গল হবে। এসব লেখার আগে আমি যথেষ্ট পর্যবেক্ষণ করেছি। আসুন সকলে মিলে আত্মশুদ্ধির জন্য সাধ্যসাধনা করি, এতে আমাদের সন্তান-সন্ততি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুরক্ষিত হবে।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র