উপবিষ

সব দোষ পুরুষের, নারীরা নির্দোষ, ছেলেরা নষ্ট এবং মেয়েরা শান্তশিষ্ট,
এত দোষ যখন পুরুষের তাইলে বাপদের ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে না কেন?
বাস্তিক হওয়া আসলে খুব কঠিন এবং মুখে বললেই আধুনিক হওয়া যায় না।
লিখতে চাইলেও এখন আর কবিতা নিয়ে আমি ভাবি না,
উপবিষে বিষ বিষক্ত করার জন্য ভাব ধরে ভাবুকদের দল অনেক বড় হয়েছে,
তিক্ত সত্য হলো দিনানুদিন অভাব বেড়ে আমাকে অভাবী বানিয়েছে ।
দৈনিক বিবরণে দেখেছি আট শুঁড়বিশিষ্ঠ সামুদ্রিক দানবের নাম অক্টোপাস,
নাগপাশের অর্থে এবং আশীবিষেও আশিস থাকে তা অনেকে জানে না,
নাগের ফনীতে নীলকান্তমণি আছে না নেই জানতে হলে মরণপণ করতে হয়।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

‘গূঢ় কখনো নিগূঢ়’

অমিত্রাক্ষর
মনের ভাব ব্যক্ত করার অনেক মাধ্যম আছে,
কবিতা তার একটা,
কবিতায় কবির মনের ভাব ব্যক্ত হয়,
কখনো গূঢ় কখনো নিগূঢ় ভাবে।
কবিতা টাকার মতো, যার হাতে যায় তার হয়।
তিন সত্যের এক সত্য মিথ্যা হলে দাঁতের ব্যথা বাড়ে,
তোমার লাগি মন আনচান আনচান করে।
মনকে বাঁধার জন্য পাট দিয়ে দড়া বানিয়েছি,
কবিতার আসরে আবেগপ্রবণ হয়ে লাভ হয় না।
কিছু কবিতা আছে পড়ার পর মন ভরে যায়,
মন চলে যায় নিষিদ্ধ স্মৃতির জলসায়।
শব্দের দিকে তাকিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখি,
ভাবের আদল শব্দ নিয়ে খেললে মনের ভাবপ্রকাশ হয়,
প্রেম এবং চিন্তা নিয়ে চিন্তা করলে কিচ্ছু মিলে না,
অচিন পাখি ধারে আসে, চিনার আগে যায় উড়ে,
শুধু ধোঁয়া, স্বপ্ন অনেক সময় অনেক বড় হয়।
শব্দে ছন্দ খুঁজে পাই, যন্ত্রের ভিতর আন্তরাত্মা নাই,
স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করলে বাস্তবতা যান্ত্রিক হয়।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র