যোগ

যোগ

অখণ্ড প্রতাপে একতা ভেঙে খণ্ড খণ্ড, খণ্ডপ্রলয়ে সুখ সমৃদ্ধি পুড়ে হচ্ছে ছাই, যোগসাজশে রক্তের যোগ হচ্ছে নাশ, যুগে যুগে সুযোগ না হয়ে যোগ হচ্ছে প্রত্যভিযোগ, গোলযোগে বিশ্বাসযোগ্য হয়েছে প্রতিযোগ।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

বর্তমান সময়ের সেরা সংলাপ!

বর্তমান_সময়ের_সেরা_সংলাপ!

আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য আমি সব করতে রাজি! আমাকে অবহেলা করে তুমি মোটেই ভালো করছ না। আমি তোমার ভালো চাই। আমি যে তোমাকে ভালোবাসি। আমাকে ভালোবাসতে না পারা তোমার ব্যর্থতা। আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমাকে ভালোবাসতেই হবে। আমাকে না ভালোবাসলে তুমি অন্য কাউকে ভালোবাসতে পারেব না।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

সুন্দর কবিতা

সুন্দর_কবিতা

নগ্নতা অথবা খুব আকর্ষণীয় নারীর ছবি কবিতাকে কোনও আকর্ষণীয় বা অর্থবহ করে না! অতএব সৃজনশীল হও, চারপাশে তাকাও এবং তিক্ত সত্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার চেষ্টা করো, কবিতা বিশুদ্ধতায় পূর্ণ হবে এবং অর্থও সুন্দর হবে। কবিতায় কষ্ট লুকিয়ে থাকে। কবিতায় থাকে কবির না বলা সকল কথা। কবিতায় বাস্তবতা বিশ্লেষিত হয় নিগূঢ়তত্ত্বে। কবিতায় উপদেশ এবং অভিশাপ থাকে। অভিশপ্তরা কষ্টের কবিতা পড়ে না। শাপমোচন করার জন্য আশীর্বাদপ্রাপ্তরা কবিতা পড়ে।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

বিরহানল

বিরহানল

বেকারদের মগজ হলো শয়তানের বিশ্রামস্থল। বেকাররা প্রেম প্রেম জপে জাপক হতে চায়। মোহমায়ায় বিমোহিত হয়ে ভুলে যায়, ভুখ লাগলে যে খাবার খেতে হয়। যারা রাত জেগে বিরহানলে জ্বলে আর চিল্লায়, ওরা জানে না ভালোবাসি ভালোবাসি জপে বিরহীর পেট ভরে না। বিয়ে করতে হলে টাকা লাগে। ভালোবাসাবাসির জন্যও টাকা লাগে। বিধায় কাজকে ভালোবাসলে অন্তত রাতে আরামে ঘুমাতে পারবে। খুশিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না, যেমন অন্ধকারে ছায়া দেখা যায় না। যৌবনকালে সকল জীব সঙ্গমের জন্য হন্যে হয় এবং এটি স্বাভাবিক। ভালোবাসি নামক নাটকে বাড়াবাড়ি করে ফাঁড়ায় পড়ে মরার নাম সীমালঙ্ঘন। সীমালঙ্ঘনকারীকে সকলে ঘৃণা করে। বিরহী এবং বিরহিণীর সংসারে ক্রোধাগ্নি দাউ দাউ করে, যা হওয়ার নয় তা হওয়াতে চাইলে বিপত্তি বাড়ে।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

ফতোয়াবাজ

ফতোয়াবাজ

রোজ পাঁচ বার নামাজ পড়া ফর্জ, ওয়াজিব সুন্নত এবং নফল আছে। কিছু সুন্নত ওয়াজিবের কাছাকাছি, কিছু সুন্নত নফলের কাছাকাছি। রোজা ফর্জ। তারাবি ফর্জ নয়। আমরা ফর্জ ছেড়ে নফল ধরে মারামারি করি। হালাল এবং হারামের অর্থ আমরা বুঝতেও চাই না। সারা বছর ফর্জ নামাজের ধারেপাশে যায় না কিন্তু তারাবির ২০ রাকাত নিয়ে ফতুয়া দেওয়ার জন্য জোরগলায় চিল্লায়। এসব ছেড়ে আমাদেরকে নামাজি হতে হবে। কে কয় রাকাত পড়বে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে নিজের ফর্জ ওয়াজিব আদায় হচ্ছে কি না তা নিয়ে চিন্তা করলে সুন্নত এবং নফল আপসে আদায় হবে। যে যত বেশি আমল করবে সে তত আল্লাহর কাছে প্রিয় হবে।
ইয়া আল্লাহ আমাদেরকে নামাজি বানাও, আমাদের রোজা কবুল করো, ইয়া রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে ক্ষমা করো, আমিন।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র