difference and similarity

difference_and_similarity

We think about different things. Although there are similarities in the subject matter and dimensions of our thoughts, there are differences in the scenario. Our vision and our yard are different. Everyone will not like everything.

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

Lets be happy and heavenly

lets_be_happy_and_heavenly

We like to show off. We love staring at belle and we love being beguiled. We love being attractive. We work very hard and we spend money to be attractive for strangers, not for the spouse. And it is very sad for all of us. Therefore let’s forget the rest by being loyal and attractive to each other. Let’s be happy and heavenly.

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

আল্লাহর আদেশ এবং নিদর্শন

আল্লাহর আদেশ এবং নিদর্শন

সূরা বনী ইসরাইল আয়াত ৮২. আমি অবতীর্ণ করি কুরআন, যা বিশ্বাসীদের জন্য আরোগ্য ও দয়া, কিন্তু তা সীমালঙ্ঘনকারীদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।
সুরা যুমার আয়াত ২৩. আল্লাহ অবতীর্ণ করিয়াছেন উত্তম বাণী সম্বলিত কিতাব যাহা সুসমঞ্জস এবং যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্তি করা হয়। ইহাতে, যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাহাদের গাত্র রোমাঞ্চিত হয়, অতঃপর তাহাদের দেহমন বিনম্র হইয়া আল্লাহর স্মরণে ঝুঁকিয়া পড়ে। ইহাই আল্লাহর পথনির্দেশ, তিনি উহা দ্বারা যাহাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। আল্লাহ যাহাকে বিভ্রান্ত করেন তাহার কোন পথপ্রদর্শক নাই।
[ সূরা নিসা, আয়াত: ৪ ] আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলে কারিম (সা.) আমাদেরকে সম্বোধন করে বলেছেন, “হে যুবক দল! তোমাদের মধ্যে যে লোক স্ত্রী গ্রহণে সামর্থ্যবান, তার অবশ্যই বিয়ে করা কর্তব্য। কেননা বিয়ে দৃষ্টিকে নীচ ও নিয়ন্ত্রিত করতে এবং লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করতে অধিক সক্ষম। আর যে লোক তাতে সামর্থ্যবান নয়, তার উচিত রোজা রাখা। কেননা রোজা তার জন্য যৌন উত্তেজনা নিবারণকারী।” -(সহিহ বোখারি ও মুসলিম)
[ ]
সামর্থ্যানুযায়ী মোহর আদায় করা হলো বাধ্যাতমুলক। মোহর আদায় করার জন্য আল্লাহ সরাসরি আদেশ করেছেন। বিয়ে করার যার সামর্থ্যা নেই তাকে রোজা রাখার জন্য নবী করিম সাঃ আদেশ করেছেন।
বিয়ের সুবাদে শয়ে শয়ে লোক খাওয়ানো, শয়ে শয়ে গাড়ি ভাড়া করা, লাখ টাকায় বিয়ের বেনারসি কিনা, পাগড়ি শেরওয়ানি, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হলো কুসংস্কার, বহ্বাড়ম্বরে লৌকিক পরম্পরা এবং প্রভাবপ্রতিপত্তি পর্দশন।
যে শুরুতে প্রতারিত হয়, সে কি কখনো সুখিত হবে? যে সংসারের শুরু হয় প্রতরণায়, সে সংসারে কি রহমত বরকত থাকবে?
হালাল এবং হারাম ছেড়ে মাকরূহ কত প্রকার জানার জন্য শুধুমাত্র বিভ্রান্তরা ব্রতা করে। সাড়ে-বত্রিশ-ভাজার জন্য সাড়ে সর্বনাশ করা নিশ্চয় বোকামি?
ফতোয়ায় সত্য বিকৃত হয়। ফতোয়ায় অবৈধ বৈধ হয় না। ফতোয়ায় মিথ্যা শক্তিশালী হয়। ফতোয়ায় অসহায়ের অধিকার নষ্ট হয়। মুমিন নারী-পুরুষের জন্য ফতোয়া নিষ্প্রয়োজন।
আল্লাহকে খুশি করার জন্য আমরা সদকা যাকাত দেই। যাদের হাতে দেই ওরা আমাদের সাথে প্রতারণা করে। যারা বুঝেশুঝে সাধারণ মানুষকে ঠকে ওরা ঠক। যারা বুঝেশুঝে সত্য গোপন করে ওরা প্রতারক।

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

কুসংস্কার এবং লৌকিক পরম্পরা

ধন এবং দ্বীন

ধন হলো বিষাক্ত সাপের মত। যত যতন করবে সাপ তত বিষাক্ত হবে এবং এক সময় মৃত্যুর কারণ হবে। তদ্রূপ ধন যত বেশি হয় আমরা তত লোভি এবং স্বার্থপর হই এবং ষড়রিপুরা তত কট্টর হয়। ধন সঞ্চয় করে আমরা নির্ধন হই। ধন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ধনীকে সংযত হতে হয়, সতর্ক হতে হয়, বিচক্ষণ হতে হয়। পরিণামদর্শী হতে হয়। ব্যবসার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ঠিক রাখতে হয়। ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়।

সন্তানদেরকে দ্বীন এবং ধন সম্বন্ধে যথেষ্ট শিক্ষা দিতে হয়। বৈধ্য অথবা অবৈধ্য ধনে ধনী হওয়া যায়, কিন্তু প্রকৃত ধনী হতে হলে ধার্মীক হতে হয়। দ্বীনের অভাবে মানুষ বেদ্বীন হয় তদ্রূপ ধনের অভাবে মানুষ নির্ধন হয়। দুনিয়ায় নির্ধনের সংখ্যা বেশি হলেও দ্বীনদারের সংখ্যা অত্যন্ত কম। মানুষ আয়েশপ্রিয়, সত্বরপ্রিয়, লো‍ভী, হিংসুক এবং অহংকারী। এসব কুস্বভাব মানুষকে নিকৃষ্টতম করে। দ্বীন থেকে দূর থাকতে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি এবং অজ্ঞাত কারণে আমরা নিশ্চিত হই ছদকা এবং যাকাতে ধন কমে। কিন্তু আল্লাহ বলেছেন…

[ সুরা আনফাল ৮:৩ ] সে সমস্ত লোক যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদেরকে যে রুযী দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে। [ ৮:৪ ] তারাই হল সত্যিকার ঈমানদার! তাদের জন্য রয়েছে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট মর্যাদা, ক্ষমা এবং সম্মানজনক রুযী।

[ সুরা লাইল আয়াত নং ৯২: ১৮ ] যে স্বীয় সম্পদ দান করে আত্মশুদ্ধির জন্য, [ ৯২: ১৯ ] এবং তার প্রতিকারও অনুগ্রহের প্রতিদান হিসেবে নয়, [ ৯২: ২০ ] বরং শুধু তার মহান প্রতিপালকের মুখমন্ডল (সন্তোষ) লাভের প্রত্যাশায়; [ ৯২: ২১ ] সে তো অচিরেই সন্তোষ লাভ করবে।

[ সূরা ক্বাফ আয়াত নং ৫০: ১৬ ] আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার অন্তর তাকে যে কুমন্ত্রনা দেয় তা আমি জানি। আমি তার ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষায় নিকটতর (জ্ঞানের দিক দিয়ে)।

[ সুরা আনকাবুত আয়াত নং ২৯: ৬৯ ] যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন।

[ সুরা ইমরান ৩:১৪ ] মানবকূলকে মোহগ্রস্ত করেছে নারী, সন্তান-সন্ততি, রাশিকৃত স্বর্ণ-রৌপ্য, চিহ্নিত অশ্ব, গবাদি পশুরাজি এবং ক্ষেত-খামারের মত আকর্ষণীয় বস্তুসামগ্রী। এসবই হচ্ছে পার্থিব জীবনের ভোগ্য বস্তু। আল্লাহর নিকটই হলো উত্তম আশ্রয়।

[ সুরা হাদীদ আয়াত নং ৫৭:২০ ] তোমরা ভালোভাবে জেনে রেখো, দুনিয়ার জীবন তো খেল-তামাশা, জাঁকজমক, পারস্পরিক অহংকার প্রকাশ, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা ব্যতীত আর কিছুই নয়, এর উপমা বৃষ্টি, যার দ্বারা উৎপন্ন শস্য-সম্ভার কৃষকদেরকে চমৎকৃত করে, অতঃপর ওটা শুকিয়ে যায়, ফলে তুমি ওটা হলুদ বর্ণ দেখতে পাও, অবশেষে তা খড় কুটায় পরিণত হয়। পরকালে রয়েছে কঠিন শাস্তি এবং আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। দুনিয়ার জীবন ছলনাময় ধোঁকা ব্যতীত কিছুই নয়।

[ সুরা বাকারা আয়াত নং ২: ১৫২ ] সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [ ২: ১৫৩ ] হে মুমিন গন! তোমরা ধৈর্য্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চিতই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

[ সুরা ইউনুস আয়াত নং ১০: ৬২ ] মনে রেখো যে, আল্লাহর বন্ধুদের না কোন আশঙ্কা আছে, আর না তারা বিষণ্ণ হবে। [ ১০: ৬৩ ] তারা হচ্ছে সেই লোক যারা ঈমান এনেছে এবং (গুনাহ হতে) পরহেয করে থাকে।

[ সুরা রা’দ আয়াত নং ১৩: ২৮ ] ওরা যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর যিকিরে তাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; জেনে রেখো, আল্লাহর যিকিরেই অন্তর প্রশান্ত হয়। [ ১৩: ২৯ ] যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, কল্যাণ ও শুভ পরিণাম তাদেরই।

[ সুরা মুযযাম্মিল আয়াত নং ৭৩: ৮ ] সুতরাং তুমি তোমার প্রতি পালকের নাম স্মরণ কর এবং (অন্য ব্যস্ততা ছিন্ন করে) একনিষ্ঠভাবে তাতে মগ্ন হও। [ ৭৩: ৯ ] তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের প্রভু। তিনি ব্যতীত কোন মা’বূদ নেই। অতএব, তাঁকেই কর্মবিধায়ক রূপে গ্রহণ কর।

[ সুরা নিসা আয়াত নং ৪: ১০৬ ] এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।

মোহর কাবিন এবং যৌতুক

মোহর হলো আল্লাহর বিধান অথবা আদেশ যা পালন করা আমাদের জন্য বাধ্যতামুলক। আকদের পর স্ত্রীর হাতে মোহর নগমোহর হলো আল্লাহর বিধান অথবা আদেশ যা পালন করা আমাদের জন্য বাধ্যতামুলক। আকদের পর স্ত্রীর হাতে মোহর নগদ দিতে হয়, না দিলে স্ত্রীসংগম অবৈধ। কাবিন এবং যৌতুকের সাথে ইসলাম ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। স্বামী সামর্থ্যানুযায়ী মোহর দেবে এবং স্ত্রীর মা বাবা স্বেচ্ছায় কিছু দিলে তা সানন্দে গ্রহণযোগ্য। স্বামীর জন্য স্ত্রীর ভরণপোষণ অবশ্যপালনীয় কর্তব্য। কিন্তু প্রভাবপ্রতিপত্তির জন্য বহ্বাড়ম্বরে কুসংস্কার এবং লৌকিক পরম্পরা ধর্মের নামে প্রচলিত হয়েছে। যৌতুক আর কৌতুক মুসলমানদের জন্য হারাম। আল্লাহর আদেশ থেকে লোকলাজ অগ্রগণ্য অথবা সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। ধর্ম এবং মোক্ষ বাদ দিয়ে আমাদের লক্ষ্য এখন মাত্র দুইটা হয়েছে, আর তা হলো অর্থ এবং কাম। অর্থলোভী এবং কামান্ধরা হিতাহিতজ্ঞানশূন্য হয়। সত্য ধার্মিকরা কখনো কামান্ধ হয় না। মোক্ষলাভের জন্য ধর্মপালন করতে হয়। মনে রাখতে হবে, বিবাহ ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত। বিবাহে নরনারীর সম্পর্ক বৈধ হয়। অবৈধতায় বিপৎপাত হয়, বৈধতায় হয় ভাগ্যোদয়। ধর্ম এবং বিবাহ নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে ওরা অভিশপ্ত। সীমালঙ্ঘনকারী শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং অত্যাচারিকে কেউ পছন্দ করে না।

[ সূরা আর-রূম আয়াত: ২১ ] আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

[ সূরা নিসা, আয়াত: ৪ ] আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।

[ সুরা মা’আরজি ৭০: ১৯ ] মানুষ তো সৃজিত হয়েছে অতিশয় অস্থির চিত্তরূপে। [ ৭০: ২০ ] যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে হয় হা-হুতাশকারী। [ ৭০: ২১ ] আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে হয় অতি কৃপণ; [ ৭০: ২২ ] তবে নামাযীরা এমন নয়।

[ সুরা আনকাবুত আয়াত নং ২৯: ৫৬ ] হে আমার মু’মিন বান্দারা! আমার পৃথিবী প্রশস্ত; সুতরাং তোমরা আমারই ইবাদত করো। [ ২৯: ৫৭ ] জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রাহণকারী; অতঃপর তোমরা আমারই নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে।

ত্রিশ বছর লেখালেখি করে যা জেনেছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। সার্বিক সফলতার জন্য দয়া করে দোয়া করবেন।

লেখক এবং প্রকাশক মোহাম্মাদ আব্দুলহাক

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র