Love tune | the novel

A worried passenger walked out of Hastings Station and asked a pedestrian for directions to the Old Town. The pedestrian continued to walk and said, “Not very far. Catch any bus from Havelock Road and you will be there in no time.”

He thanked him by looking over his shoulder and kept walking. The town’s atmosphere was very pleasant. The wind was whispering the rhyme of happiness. Love was evident and lovers were humming with joy. He stood at the crossroads and saw a bus coming. He hurried to the bus stop and got on the wrong bus. Not knowing where he was going, he sat on the window seat and started to enjoy the view. As the bus stooped, he walked to the driver and said, “Is this the Old Town?”
“You got on the wrong bus and came a long way. You need to go back.” The driver replied while switching the engine off. He thanked the driver, got off the bus and ran across the road. He checked the destination before getting on and said while paying the fare, “Hastings Old Town please.”
“We will be there on time. Now enjoy the journey.” The driver said while issuing the ticket. He sighed with relief, sat on the window seat and tried to enjoy the picturesque view. As the bus stopped, he got off and someone called aloud, “Mister Ayman, you are very late.”
“Yes, mister Nadhir, and I am very sorry. Please accept my apologies.” Saying that Ayman rushed to him. Nadhir kept walking and said as he offered him a can of drink, “I know you are, but I was getting worried sick. Now drink this and you will be in high spirits.”
“I don’t need any extra energy and I hate nightmares. I would be extremely happy if you drank it for me.” Saying that Ayman looked around with a happy smile. At that time, they stood in front of a restaurant. Nadhir opened the door and said as he walked in, “I was walking on the beach to enjoy the waiting time, but the drowsy ocean breeze discouraged me. Please say something exciting to encourage me.”
“We do many things for inner peace. We promise to sacrifice. We do yoga. We run in the park. We do many types of mental and physical exercises, but we don’t remember Allah.”
“I was surprised, but now I am worried. They told me you wanted to be a herdsman.”
“Yes, I was a herdsman.”
“You mayn’t know, but because of you, I am very anxious and ill at ease. Please say something to raise my spirits. I think you are a mystic.”
“Life is a blessing and full of bliss, but because of greed, we cry and pray for tomorrow to be prosperous. Sadly, as the sun rises, it’s today again and we walk aimlessly. Some are lovelorn, some are lovesick. I know you are lovestruck and I don’t want to be thunderstruck.” Saying that Ayman got the flute out of the bag. Nadhir looked at him with shock and said, “What is that?”
“Don’t you know?”
“I know it’s a flute, but what are you doing with it? Please don’t tell me you can play the love tune?”

link for the ebook

© Mohammed Abdulhaque

Mohammed Abdulhaque

Mohammed Abdulhaque

Book Printing And Publishing
Book publisher
Mohammed Abdulhaque

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

everyone will be happy

everyone_will_be_happy

Will those who destroy the rights of the poor go to heaven? Will those who deprive others of their rights go to heaven? Will those who defeat the believers go to heaven? Will the proletariat and the ignoramuses go to heaven? I don’t know the answer, but I can say with certainty that the first lesson of self-purification is to speak the truth. Remember, Allah Himself has said that the sustenance of all is in the hands of Allah and the reward of fasting is Allah Himself. O fasting people, let’s repent and please Allah, if Allah is pleased, everyone in the world will be happy. Amen.

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

চটির গল্প

চটির_গল্প

একাধিক অর্থ থাকা সত্ত্বেও আপত্তিকর অর্থে চটি শব্দ প্রচলিত হয়েছে এবং কামরিপুর তাড়নায় সন্তাড়িত হয়ে আমরাও ভুলেছি, অশ্লীলসাহিত্যের প্রভাবে মনোবল, মনের জোর এবং মানসিক শক্তি নষ্ট হয়। মনস্কামনা এবং মনের ইচ্ছায় যৌনতা প্রভাব বিস্তার করে। মনোবিবাদের জের ধরে প্রিয়জনের সাথে মনোবিচ্ছেদ হয়। কামোন্মত্ততা চিত্তচাঞ্চল্যের সাথে সম্পৃক্ত এবং স্বাভাবিক কিন্তু কামজ্বরে মনোবিকার হয়। কামরিপু বিশ্বপ্রকৃতিকে চটকদার রাখলেও যৌন বিকৃতির কারণ সাহিত্য এবং সমাজে মহাসমস্যা হচ্ছে। চটি শব্দে আসক্ত হওয়ার ফলে ভারসাম্য হারিয়ে যুবসমাজ এখন আত্মিক এবং মানসিক রোগে ভোগছে। অশ্লীলতায় সমাসক্ত হয়ে মানবতা বিকারগ্রস্ত হচ্ছে। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পর্ব যৌবন এবং যুবক যুবতীরা মানবতার ধারক এবং বাহক। যার যৌবন নষ্ট তার জীবন নষ্ট। তিক্ত এবং কষ্টদায়ক সত্য হলো, নিঃসন্তানরা নির্বংশ এবং নিষ্কামরা নিষ্ফলা গাছের মত কালাকালে কয়লা হয়।

অসুস্থ সমাজেক সুস্থ করতে হলে মৃতপ্রায় সাহিত্যকে উজ্জীবিত করতে হবে। অশ্লীলসাহিত্যে মনোবৃত্তি নীচ হয়। অশ্লীল চিন্তায় কামশক্তি এবং চিন্তাবৃত্তি নষ্ট হয়ে মনের ব্যাধি বাড়ে। চটির কারণ চটুকের চটক নষ্ট হয়। চটির কারণ বিদ্বদ্গোষ্ঠীর ভুষ্টিনাশ হচ্ছে। অসুস্থ আত্মাকে সুস্থ করার জন্য এবং বিকারগ্রস্ত বিবেককে জাগ্রত করার জন্য সাহিত্যসাধনরা প্রয়োজন। ফাঁকফোক পেয়ে গ্রন্থাগারেও অশ্লীলসাহিত্য প্রেবেশ করেছে এবং বাণিজ্যিক পর্যায়ে সমাদৃত হওয়ায় মুনাফাখোররা লাভের জন্য অর্থ বিনিয়োগ করে। ওরা জানে অর্থ শক্তি আনে এবং অশ্লীলতা অর্থ আনে।

মনে রাখতে হবে, ধর্মগ্রন্থ হলো সাহিত্যের আত্মা এবং ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ হলো মানবজীবনের চারটি লক্ষ্য। কামনাশূন্য মনে কামেচ্ছা থাকে না। নির্লোভ, নির্মোহ হলে মানুষ ভোগবাসনাবিমুখ হয়। পাপ-তাপ-শাপের জড় হওয়া সত্ত্বেও সর্বার্থসাধক কাম আমাদেরকে সম্পূর্ণ সাফল্যমণ্ডিত করে। সর্বার্থসিদ্ধির জন্য ষড়রিপুকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কামরিপু নিয়ন্ত্রিত হলে অন্য রিপুরা আপসে বশীভূত হয়। আদিরসের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার দরুন আদিম ব্যবসা এবং অশ্লীলসাহিত্যকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না, তবে সাধ্যসাধনায় নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

যাক, #গল্প লিখে #গাল্পিক হওয়ার পায়তারা শুরু হয়েছিল সেই কবে, হয়তো কয়েক হাজার বছর আগে। গল্পে কল্পনা থাকে, থাকে জল্পনা, থাকে রোমহর্ষক বাস্তবতা, থাকে বিষাক্ত ভালোবাসার বর্ণনা। নিষিদ্ধ গল্প লেখার জন্য নিষিদ্ধপল্লিতে যেতে হয় না। অভিশপ্ত ভালোবাসার গল্পে নাগর নাগরালী করলে নাগরী কলঙ্কিনী হয়। ঠনঠনে কলসি কাঁখে ঠাটঠমক টসকে হাঁটে রসবন্ত নাগরী। রসবতী রূপসির সাথে রসরঙ্গ করার জন্য রসিক হয় নাগর।

এমন এক নিষিদ্ধ গল্পের দৃশ্য …

চটি বই হাতে চটিতে যাওয়ার পথে বিজল্পিত পটে চটপটিওয়ালার সাথে চাটুবাদীর কথা কাটাকাটি করে …

চটপটিওয়ালা ঃ ‘চাটনি চেটে চাটুকা আজ চটচটে হবে। নিষিদ্ধ প্রেমে মজলে কুটুনীবুড়ির পেটিকোটে গিট লাগবে। বেশি চটচট করলে চাট্টি চটা ভাগে পড়বে।’
চাটুবাদী ঃ ‘বুঝেছি, কুঁজিকাঠি গুঁজে তোকে কুঁজড়ো করার জন্য কুঁজিকে ঘুষ দিতে হবে।’
চটপটিওয়ালা ঃ ‘নিখরচা চটপটি খেয়ে আজ যথেষ্ট চটপটে হয়েছ এবং চটিজুতো পায়ে দিয়ে যথেষ্ট চটাচটিও করেছ। এখন ঝটপট বকেয়া আদায় করলে ভীমরতির গতী বাড়বে।’

চাটুভাষিণী সশব্দে হেসে বলল, ‘কাঁজি গিলে পাজিরা কাজিয়া করছে। কাজ ফেলে কাজি বাজারে যাচ্ছে। ও চাটুবাদী, বারুণী পান করতে যাচ্ছি নাকি?’
চাটুবাদী ঃ ‘শুনেছি, চটাচটি করে ভিটেমাটি চাটি হারলে বাড়ইর মানসিক চাঞ্চল্য বাড়ে। নেশায় টান মারলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে চটির দোয়ারে।’
চাটুভাষিণী ঃ ‘নিশুতিরাতে ঘুম চটলে বন্ধুত্ব চটে, উকুনের রাজত্ব জোটেবুড়ির জটে।’
চাটুবাদী ঃ ‘কামনায় কামার্ত হলে কামিনী কামকেলির জন্য কামুকের শরণাপন্ন হয়।’
চাটুভাষিণী ঃ ‘চটকদার সাজে চটুকে সাজার আসল উদ্দেশ্য হলো মনস্কামনা অথবা মনোবাসনা পূরণ করা। কথিত আছে, কামান্ধ হয়ে রথীমহারথীরা যুদ্ধ হেরেছেন। মৈথুনে আত্মিক এবং মানসিক শান্তি লাভ হয়। রমণে রমণীকে হারাতে হলে কামশাস্ত্র অধ্যয়ন করতে হয়।’

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র

শৈলী | গল্প

সুরের_দেশের_রানীর_গল্প

গাইন হওয়ার জন্য পলাশতলে বসে পলাশমিঞা দিনমান গুনগুন করে। একদিন হঠাৎ ঝম্পে উঠে ডানে বাঁয়ে তাকিয়ে এক্কা দুক্কা খেলার ঘুঁটির মতন পাথর দেখে কপাল কুঁচকে দাঁড়ায় এবং পরখ করে তাকিয়ে পা দিয়ে মাটি সরিয়ে অগ্রসর হয়। পলাশ গাছের নিচে যেয়ে কপাল কুঁচকে দ্রুত অগ্রসর হয়ে মাথা উঁচিয়ে গাছের দিকে তাকায়। এমন সময় একটা ফুল ঝরে পড়ে। ফুল যেখানে পড়ে সেখানে যেয়ে চিন্তিত হয়ে অপলদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে। কিছুক্ষণ পর হাঁটু গেড়ে বসে হাত দিয়ে বালি সরায়। শিল পাথরে খোদাই করা লেখা দেখে অত্যাশ্চর্য হয়ে দ্রুত তা হাতে নিয়ে আরো আশ্চর্য হয়। শিলাপাথরে যা লেখা তা একটা গান। পলাশ তাল লয় জানে না। সে যখন গান গায় তখন আড়ালে যায়ার জন্য কাক কোকিলে উড়াল দেয়। তার গান শোনে ভরা যৌবনে কেউ আড়কালা হতে চায় না। শিলা হাতে পলাশ হাঁটতে শুরু করলে গাছ থেকে অঝোরে ফুল ঝড়ে। যেন অভ্যর্থনার জন্য ফুল ছিটিয়ে কেউ তাকে মানদানে বন্দনা করছে। পলাশ সেদিকে খেয়াল না করে দ্রুত তার কামরায় যেয়ে কম্পিউটার চালিয়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে গানের সপ্টওয়্যার খুলে শব্দে সুরারোপ করায় ব্যস্ত হয়, ‘তোমার লগে আইজ নিশাত খেইড় খেলাইমো, খেইড় খেলাইমো বন্ধু খেইড় খেলাইমো। হাতে মেন্ধি গায়ে হলুদ পায়ে আলতা লাগাইমো, কুম কুম দিয়া আইজ তোমারে রাঙাইমো, তোমার লগে আইজ নিশাত খেইড় খেলাইমো- বন্ধু খেইড় খেলাইমো। কড়ি আইনছি ঘুঁটি আইনছি আরো আইনছি মইন, যৌবন পণ ধইরা আমি দান ফালাইমো, বন্ধু দান ফালাইমো, আইজ রাইতে তোমার লগে পাশা খেলাইমো, তোমার লগে আইজ নিশাত খেইড় খেলাইমো বন্ধু খেইড় খেলাইমো। ষোলো ঘুঁটির তিন দান জিতলে সোগাগিনী হইমো, কড়ি ফালাইয়া পাশা খেলাত হারলে রিতরস পাইমো, তোমার লগে আইজ নিশাত খেইড় খেলাইমো বন্ধু খেইড় খেলাইমো। গাঙগো নয়া পানি আইছে নৌকা বাইচ করমো, পুকরির ফন পানিত বন্ধু তোমার লগে লাই খেলাইমো, অতদিনে পাইছি তোমারে বন্ধু আইজ খেইড় খেলাইমো, তোমার লগে আইজ নিশাত খেইড় খেলাইমো বন্ধু খেইড় খেলাইমো।’
হঠাৎ বারোটার ঘণ্টি বাজলে আড়মোড়া দিয়ে শেষ বারের মত গান শুনার জন্য হেডফোন হাতে নিলে শান্ত-নারীকণ্ঠ বলল, ‘পলাশ, তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
পলাশ চমকে বুকে থু থু দিয়ে চারপাশে তাকিয়ে কম্পিতকণ্ঠে বলল, ‘কে আমার সাথে কথা বলছ?’
‘আমার প্রেমীকবর আমাকে শৈলী ডাকতো। তুমিও আমাকে শৈলী ডাকতে পারবে। শৈলী শব্দ শুনতে নারী বাচক তাই না?’
‘জি, শুনতে মেয়েদের নামের মতন। তবে শৈলী শব্দের অর্থ রীতি, প্রণালী। আচার-ব্যবহার অথবা আহার-বিহারের বিশিষ্ট রীতি। শিল্প প্রভৃতির সম্পূর্ণ নিজস্ব ধাচ। গান নিশ্চয় আপনি লিখেছিলেন?’
‘হ্যাঁ, বন্ধুর সাথে খেইড় খেলাতে পারিনি।’
‘আমি আসলে গান গাইতে পারি না। আমি নতুন একটা গান লিখেছিলাম। আপনি শুনতে চাইলে শুনাব। আপনার কি সময় হবে?’
‘হ্যাঁ, শুনাও।’
পলাশ কথা না বলে গান চালায়, ‘প্রাণো বন্ধু রে বন্ধু ফিরে আও ঘরে, তোমার বিহনে সোনার তনু পইড়া আছে ঘরের দোয়ারে, প্রাণো বন্ধু রে, বন্ধু নিথর দেহ মুখে নাই রা মনের দুঃখ খুলে বলব কারে? বন্ধু তুমি নাই মোর বুকের মাঝারে, প্রাণো বন্ধু রে বন্ধু ফিরে আও ঘরে। প্রাণো বন্ধু রে, বন্ধু মনের দুঃখ মনে রইল অনুতাপ অন্তরে, ঘোর নিদানে বান্ধব নাই কেউ, সাথি নাই মোর আইন্ধার কইবরে, প্রাণো বন্ধু রে, বন্ধু ফিরে আও ঘরে।’

পলাশ থেমে বুক ভরে শ্বাস টানলে শান্ত নারীকণ্ঠ বলল…
‘জানো পলাশ? তোমার গান আমি তন্ময় হয়ে শুনি। তাল লয়, যতি ছেদ মাত্রা গুনে গায়করা গান গায়। তোমার মতো সাধকের শৈলী এবং শৈল্পিক চেতনা থেকেই শিল্পির জন্ম হয়। তুমি সাহস করে নিয়ম রীতি ভেঙে বিশিষ্ট রীতি তৈরী করো। মনের ভাব একাধিক ভাবে প্রকাশ করা যায়, তদ্রুপ একটা গান অনেক তাল লয়ে গাওয়া যায়। প্রচলিত সুরে না গেয়ে নতুন সুর এবং রাগে গাওয়া সবার পক্ষে সম্ভব নয়, শুধু সাধকরা তা পারে।’
‘আপনার কথা এবং উপস্থিতি আমাকে বিত্রস্ত করেছে। আমার গায়ে বার বার কাটা দিচ্ছে। আমি এখন টুনিজানির বগলে যেতে চাই।’ বলে পলাশ কান্নার ভান করে ডানে বাঁয়ে তাকালে নারীকণ্ঠ খিলখিল করে হেসে বলল, ‘শাঁকচুন্নি নই আমি হলাম সুরের দেশের রানী।’

-সমাপ্ত –

বইর নাম — আঠারোটা অসমাপ্ত প্রমোপন্যাস

© Mohammed Abdulhaque

উপন্যাস সমগ্র